বিনা অনুমতিতে শেষবারের মতন
তোমায় জানানো যায় কি
আগামী মুহুর্তে ঘটতে থাকা
আমার মনের রসায়ণগারের
রাসয়নিক সংকেত?
যে সংকেত ধরতে চেয়ে
ধূর্ত প্যাথলজিস্ট রসায়ণগারে
একগাদা ভাইরাস আর আমার
কবিতার প্রতিলিপির
স্হাপত্য centrifuge এ
আলাদা করতে পারেনি।
যে সংকেতের রং বুঝতে
চেয়ে লিটমাস পেপার কুয়াশায়
ভিজে গিয়ে ধূসর চোখে তাকিয়ে আছে?
বিনা অনুমতিতে কি শেষবারের
মতন তোমায় আমার ঔরসজাত
শব্দের উদ্বেল সারিগুলিকে
শোনাতে পারি?
বিনা অনুমতিতে কি শেষবারের মতন
তোমাকে বনলতা সেনের বিহ্বলতা
থেকে সরিয়ে নিতে পারি?
তোমার চোখের
আন্তরিকতার দিকে তাকিয়ে
কি মনে করতে পারি
কিছু জিনিস সত্যিই অননুকরণীয়?
বিনা অনুমতিতে কি তুমি-আমি
হারিয়ে যেতে পারি হায়রোগ্লিফিকের
দুর্বোধ্যতায়?
যেখানে কিছুটা লেখা -কিছুটা ছবি -আর তার
থেকেও বেশী পাথর কুঁদে ভালোবাসার
ইতিহাস লেখা।
বিনা অনুমতিতে কি
শেষবারের মতন তোমার
হাতটা ধরা যায়?
যেখানে মিশে গিয়েছিলো
আন্তিগোনে থেকে ক্লিওপেট্রা।
অনুমতি সাপেক্ষ সব সিদ্ধান্তের
শেষপর্বের সমাপ্তিতে
তাই শেষবারের মতন তোমাকে
প্রেমের কবিতা পড়াতে চাই না।
ভাগ্যিস-তুমি ছেড়ে চলে গেছ
জাগতিক মানবতা,
নইলে ভিজে কুয়াশা আর
চোখের জল চিনত না।
আবর্তে তাই কক্ষপথ চিনতে
ভুল করো না।
হোক্ না উপবৃত্তাকার-মনে রেখো
ফোকাসে তো আমি আছি।
Uttorta jothajoto....
ReplyDeleteধূর্ততার যথার্ততা...অনুকরণ জীবদ্দশাতেই দেখে যেতে হল।
ReplyDelete